মনির কাসেমীর পাশে কয়জন আলেম আছে, প্রশ্ন গিয়াস উদ্দিনের
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন অভিযোগ করে বলেছেন, “অধিকাংশ মানুষ তাকে পছন্দ করেন না। নানা চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে এসেছেন। একজন আলেম হয়েও ক্ষমতার লোভে তিনি প্রথম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন।”
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার গোগনগর ইউনিয়নের সৈয়দপুর ফকিরবাড়ী, আলীরটেক ও বক্তাবলি এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গিয়াসউদ্দিন বলেন, “তিনি আগে বলেছিলেন—ধানের শীষ না হলে নির্বাচন করবেন না। পরে বিএনপির নেতাদের কাছে গিয়ে বলেছেন, দল ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেবেন, তাকে ধানের শীষ দেওয়া হোক। বিএনপি নেতৃত্ব তা সম্ভব নয় জানালে ব্যর্থ হয়ে এখন খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।”
আরও অভিযোগ করে তিনি বলেন, “একজন আলেম হয়ে প্রথম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার পর এখন জনগণের কাছে যে ওয়াদা করছেন, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য—সেটাই প্রশ্ন। আলেম হয়ে ওয়াদা ভঙ্গ করলে ভবিষ্যতে বিশ্বাস রক্ষা করবেন কি না, তা নিয়েও মানুষের শঙ্কা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “একজন আলেমের পাশে থাকার কথা আলেম ও ভালো মানুষদের। কিন্তু উনার পাশে কয়জন আলেম আছে? বরং ফতুল্লা ও বক্তাবলীর যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে—তাদেরই তিনি সঙ্গী হিসেবে নিয়েছেন বলে এলাকাবাসী বলছে। যাদের মানুষ ভয় পায়, তারাই আজ তার সঙ্গে ভোট চাইছে। এজন্য আমাদের আলাদা করে ভোট চাইতে হয় না, মানুষ নিজেরাই বলছে তাকে ভোট দেওয়া যাবে না।”
মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, “তিনি মনে করেন মানুষের ভোটে তার নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই, তাই সন্ত্রাসী ব্যবহার করে হুমকি-ধমকি দিয়ে ও কেন্দ্র দখল করে জয়ের চেষ্টা করা হবে।”
গোগনগর সৈয়দপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন মোক্তার হোসেন, আলীরটেক এলাকায় সভাপতিত্ব করেন সোহেল পাঠান এবং বক্তাবলি এলাকায় সভাপতিত্ব করেন হাসান আলী।
পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ মোল্লা, আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, কবির প্রধান, হাজী বিল্লাল হোসেন, মইনুল হোসেন রতন, স্বপন চৌধুরী, মো. সেলিম, আশিক মাহমুদ সুমন, আবুল খায়ের, হাজী দেলোয়ার, মোজাম্মেল প্রধান, সুরুজ্জামান, আব্দুল করিম, আলী মিয়া, শহিদ খন্দকার, আব্দুল কাদের, আনোয়ার মাদবর, মফিজ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ নুরু, মোতালেব গাজী, ফয়সাল আহাম্মেদ, জামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।





































