২৫ জানুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ:

প্রকাশিত: ১৭:০৫, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৭:০৫, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

ফেসবুকে প্রচারণা: কমিশনের নির্দেশনা মানেনি নারায়ণগঞ্জের প্রার্থীরা

ফেসবুকে প্রচারণা: কমিশনের নির্দেশনা মানেনি নারায়ণগঞ্জের প্রার্থীরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা নামে-বেনামে বিভিন্ন পেইজ ও একাউন্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু তাদের কেউই নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে এসব একাউন্ট বা পেইজের তথ্য জমা দেননি।

কোনো প্রার্থীই এখন পর্যন্ত তাদের নিজের ফেসবুক একাউন্ট বা পেইজের তথ্য জমা দেনননি রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রকিবুজ্জামান রেনু।

যদিও অনুষ্ঠানিক প্রচারণার আগ থেকেই নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে নানা পেইজ, একাউন্ট ও চ্যানেলের মাধ্যমে সরব ছিলেন প্রার্থীরা। গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় এসব একাউন্ট ও পেইজের সক্রিয়তা আরও বেড়েছে।

গত তিনদিনে ফেসবুকে প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, তারা নিয়মিত নানা স্ট্যাটাস, ছবি ও ভিডিও প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কেউ কেউ ‘ব্লু-টিক’ থাকা ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ ও একাউন্টের মাধ্যমেও প্রচারণা চালাচ্ছেন। এছাড়া, প্রার্থীদের সমর্থকরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের একাউন্ট ও পেইজ থেকে প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছে।

এর বাইরেও নামে-বেনামে নানা একাউন্ট ও পেইজ থেকে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু এসব একাউন্ট বা পেইজের কোনো তথ্য প্রার্থীরা জমা দেননি। এ কর্মকাণ্ড মূলত প্রার্থীদের প্রচারণার স্বচ্ছতা ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বলে জানাচ্ছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নির্বাচন সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রার্থীকে তার ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নির্ধারিত একাউন্টের তথ্য, মোবাইল নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো অনলাইন প্রচারণা মনিটরিং, আচরণবিধি লঙ্ঘন শনাক্ত এবং বিভ্রান্তিকর বা অপপ্রচার রোধ করা। তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। 

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য জমা দেননি।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাকিবুজ্জামান রেনু বলেন, “প্রত্যেক প্রার্থীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহৃত একাউন্ট, মোবাইল নম্বরসহ তথ্য জমা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউই আমাদের কাছে তাদের একাউন্টের তথ্য দেয়নি।”

সর্বশেষ

জনপ্রিয়