০৭ মার্চ ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:১৬, ৬ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড়

নারায়ণগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড়

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় দেখা দিয়েছে। অনেকেই আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করতে আসছেন বলে জানিয়েছেন স্টেশন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সরেজমিনে চাষাঢ়ার কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও দীর্ঘ লাইন না থাকলেও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি।

চাষাঢ়ার মেসার্স আজগর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারী জানান, স্টেশনটিতে আপাতত জ্বালানি তেল শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, “শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ডিপো থেকে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে রবিবার থেকে ডিপোগুলো আবার সরবরাহ শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

চাষাঢ়া শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশনের বিক্রেতা মো. মন্টু বলেন, “আসলে কোনো সংকট নেই। কিন্তু মানুষ আতঙ্কে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তেল নিতে আসছেন। আমরা কাউকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল দিচ্ছি না। রবিবার পর্যন্ত যাতে সবার কাছে তেল বিক্রি করা যায়, সেই হিসাব করে মজুত থেকে দিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “ডিপোগুলো আগের মতো সরবরাহ করছে না, কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। তাই আমরা মজুতের হিসাব করে বিক্রি করছি।”

বর্তমানে জ্বালানির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। অকটেন প্রতি লিটার ১২০ টাকা এবং ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাইক নিয়ে তেল নিতে আসা মো. পারভেজ বলেন, “বিভিন্ন জায়গা থেকে শুনছি সামনে তেলের সংকট হতে পারে। তবে সরকার বলছে দুই সপ্তাহের বেশি জ্বালানি মজুত আছে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী যতটুকু দরকার ততটুকুই নিচ্ছি।”

আরেক ক্রেতা ইদ্রিস মাহমুদ বলেন, “গাড়ির ট্যাংকিতে অর্ধেক অকটেন ছিল। তারপরও পুরোটা ভরে রাখছি। যদি পরে সংকট দেখা দেয় তাহলে চলাচলে সমস্যা হতে পারে।”

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে কোনো সংকট হবে না।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়