মুছাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শুভর ব্যানার-ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদ হাসান শুভর ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
শুভর অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই মুছাপুরে সরকারি চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে আবুল কাউছার আশার বক্তব্যের পর তার অনুসারীরা রাতের আঁধারে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে টানানো অন্তত ৩০টি ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবুল কাউছার আশা বলেন, “যারা বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার আসামি, যারা ঘোষিত ফ্যাসিস্ট, তাদের ছবি আবার নতুন করে মুছাপুরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে। আমাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ, আপনারা কি চোখে আঙুল দিয়ে বসে আছেন, আমি জানি না। একটি কথা মনে রাখবেন, ফ্যাসিস্টদের যদি আপনারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন, তাহলে একদিন আপনাদেরও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। মুছাপুরের যে জিম্মি দশা ছিল, সেই জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হয়েছে। এই অবস্থা যেন অব্যাহত থাকে এবং মুছাপুর যেন আবার কোনো ফ্যাসিস্টের কবলে না পড়ে।”
এ বিষয়ে মাহমুদ হাসান শুভ দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং তাদের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই আবুল কাউছার আশা তার অনুসারীদের দিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে আমার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। কিন্তু এখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং আমাদের জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে আবুল কাউছার আশা তার অনুসারীদের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।”
শুভ আরও বলেন, “আমার দাদা বন্দরের ধামগড় ইউনিয়নে ২৫ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার বাবা মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছেন। সামনে আমিও নির্বাচন করব। কিন্তু আমাদের জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে এসব করা হচ্ছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, “মুছাপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে আশা যাকে সমর্থন দিচ্ছেন, সেই আলী হোসেন একসময় আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পরে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় আমরা তাকে সরিয়ে দিই। এখন তাকে সামনে রেখে আমাদের রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আবুল কাউছার আশার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





































