বন্দরে মোতালেব হত্যা মামলায় এখনো অধরা দুই আসামি
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় বৃদ্ধ আব্দুল মোতালেব (৬৪) নিহতের মামলায় এজাহারভুক্ত দুই আসামি এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। মামলা দায়েরের প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বজনরা।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর প্রধান আসামি মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এজাহারভুক্ত ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মেম্বার ও তার ভাগিনা মোহাম্মদ আলী এখনো প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। তাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একাধিকবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও শুধু "ট্র্যাকিং চলছে" বলে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী পিয়াল হাসান বলেন, “এতদিনেও বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আমরা বারবার পুলিশের কাছে গিয়েছি। তারা শুধু বলেন, ট্র্যাকিং চলছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছি।”
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামতাল পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই অনীল চন্দ্র বলেন, “ঘটনার প্রধান আসামিকে প্রথম দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে বাকি দুই আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ এবং আরও একটি সংস্থা কাজ করছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই তাদেরও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।”
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন ভোরে বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের কুলচর এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আব্দুল মোতালেবকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মেম্বার ও তার ভাগিনা মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে পিয়াল হাসান বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।





































