মাসদাইরের চিহ্নিত অপরাধী ‘চশমা সাব্বির’ কারাগারে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার চিহ্নিত অপরাধী ও মাদক কারবারের অন্যতম নিয়ন্ত্রক সাব্বির ওরফে ‘চশমা সাব্বির’কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে ফতুল্লা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন আবেদন করেন সাব্বির। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাব্বির মাসদাইর এলাকার চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার পর ফতুল্লা থানা পুলিশ তাকে একটি মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সোমবার তাকে আবার আদালতে হাজির করা হবে।
সাব্বিরকে কারাগারে পাঠানোর খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মাসদাইর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সাব্বির ও তার সহযোগীরা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল।
৩০ বছর বয়সী সাব্বির নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘চশমা সাব্বির’ নামে পরিচিত। বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন শ্রমিক অধ্যুষিত মাসদাইর গুদারাঘাট, হাজীরমাঠ ও মিস্ত্রীবাগ এলাকায় তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
গত ২৩ মে রাতে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় এক পোশাক ব্যবসায়ীর কাছে দাবি করা ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালককে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে সাব্বির বাহিনীর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে সাব্বিরের বাড়িতে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় তাকে পাওয়া না গেলেও তার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র, হাতবোমা, ড্রোন, সিসি ক্যামেরা, প্রায় ৩ হাজার পিস ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
প্রয়োজনে এটিকে আরও অনুসন্ধানী বা ফলোআপ রিপোর্টের আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।





































