নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের বিজয়ে নীরব ভোট বিপ্লব হবে: আল আমিন
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সদর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জে একটি নীরব ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ ১১ দলীয় জোটকে বিজয়ী করবে। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ আর সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও গডফাদারদের রাজত্বের শহর হিসেবে পরিচিত থাকতে চায় না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী বাস্তবতায় বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ত্যাগ স্বীকার করে ১১ দলীয় নির্বাচন জোট গঠন করেছে। তিনি বলেন, এই জোট শুধু নির্বাচনী জোট নয়—এটি বাংলাদেশকে নতুন বন্দোবস্তের পথে নিয়ে যাওয়ার একটি ঐতিহাসিক অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে আর কখনো সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম হতে দেওয়া হবে না। জনগণ এমন জনপ্রতিনিধি চায় যারা জনগণের জন্য নিবেদিত থাকবে, জনগণকে পেছনে পেছনে ঘুরতে হবে না।
নারায়ণগঞ্জের সামাজিক পরিচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নারায়ণগঞ্জবাসীকে এখনও সন্ত্রাসী এলাকার মানুষ হিসেবে দেখা হয়—এই নেতিবাচক পরিচয় থেকে মুক্তি পেতে একটি মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা চাই নারায়ণগঞ্জ পরিচিত হোক একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সৎ মানুষের জনপদ হিসেবে।
৫ আগস্ট পরবর্তী বাস্তবতায়ও সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশাসনের সামনে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারিকে কুপিয়ে হত্যা, নারী সংগঠকদের শ্লীলতাহানি প্রমাণ করে কিছু গোষ্ঠী এখনও পুরনো সংস্কৃতিতে ফিরে যেতে চায়। তবে হত্যা, সন্ত্রাস ও হুমকি দিয়ে কেউ আর ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।
তিনি বলেন, এই নতুন যাত্রা নাগরিকের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যাত্রা। নারায়ণগঞ্জ থেকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন উচ্ছেদ করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের প্রতিটি কর্মীকে নিজেদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। দেশ, ধর্ম, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিজয় নিশ্চিত হবে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার।





































