২২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:৪৯, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

রেজাউল-আঙ্গুর-দুলাল বহিষ্কার

রেজাউল-আঙ্গুর-দুলাল বহিষ্কার

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

এর আগে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহ্ আলম বহিষ্কার হন।

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৪৭ জন প্রার্থী লড়ছেন। তাদের প্রতীক বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মো. দুলাল। তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিরও সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আসনটিতে বিএনপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে প্রার্থী করলেও বিদ্রোহী হয়েছেন সাবেক এ যুবদল নেতা। তার অনুসারী নেতা-কর্মীরাও তার পক্ষে কাজ করছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি নজরুল ইসলাম আজাদকে প্রার্থী করলেও এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী হয়েছেন দলটির সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন-বঞ্চিত কয়েকজন নেতা শুরু থেকেই আজাদের বিরোধীতা করলেও শেষ পর্যন্ত তারা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য হন। কিন্তু দলছুট হয়ে প্রার্থিতা বজায় রেখেছেন আঙ্গুর।

অন্যদিকে রেজাউল করিম নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এ আসনে বিএনপি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে মনোনীত করেছে। রেজাউল করিম বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। পরে তিনি বিএনপির সংস্কারবাদী অংশটির সঙ্গেও যুক্ত হন। তবে, বহিষ্কার হবার আগে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।

দু’টি আসন- নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৪ এ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। এক সময় কৃষক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত গিয়াস পরে জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

গত ১ জানুয়ারি বিএনপি থেকে গিয়াস উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি সর্বশেষ দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কার হন নির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য শাহ্ আলমও। তিনি এর আগে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়