হারি বা জিতি জনগণের দাবিতে লড়ে যাবো: বিপ্লব
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বাসদ মনোনীত প্রার্থী আবু নাঈম খান বিপ্লব শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য এম এ মিল্টন, বাসদ জেলা বর্ধিত ফোরামের সদস্য ও ৫ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব প্রদীপ সরকার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, বাসদ ১৫ নং ওয়ার্ডের নেতা তাজুল ইসলাম, ১৬ নং ওয়ার্ডের নেতা লিলু মিয়া, ১৭ নং ওয়ার্ডের নেতা কাশিনাথ, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমীন সোহাগ, ছাত্র ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জুলফিকার আলী বলেন, “আমরা যদি ক্ষমতায় যাই তাহলে সবার আগে শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবো। শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করবো। এই রাষ্ট্র সকল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, কারণ সংসদ ব্যবহার করেছে ব্যবসায়ীরা। সংসদ কখনোই শ্রমজীবী মানুষের জন্য গণতান্ত্রিক আইন প্রণয়ন করেনি। আমরা এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের কথাগুলো সংসদে নিয়ে যেতে চাই। যারা শ্রমজীবী মানুষকে শোষণ করে কালো টাকার মালিক হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম। যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় যায়, ক্ষমতায় যাওয়ার পরে আর জনগণকে তারা মনে রাখে না।”
আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, “অতীতে সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্যতা কখনো পায়নি। তাই এই ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য সংসদে যাওয়া দরকার বলে মনে করি, তাই আমরা নির্বাচন করছি। আমরা শোষণমূলক এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই। কালো টাকা, পেশিশক্তি, প্রশাসন ও পুলিশ এবং সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহারমুক্ত সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখতে পারে। সমাজের সকল স্তরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা জনগণের অন্যতম চাওয়া। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা হারি বা জিতি, জনগণের দাবিতে লড়ে যাবো—সেই প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছে রাখছি। তাই জনগণকে ‘মই’ মার্কার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানাই।”





































