যারা অমুক-তমুক ভাইয়ের হইয়া আছেন তারা বের হয়ে যান: মনির কাসেমী
বিএনপি–সমর্থিত জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেছেন, যতবার সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নির্বাচিত হয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছে। অথচ এবার যদি সারা দেশে বিএনপি ১৫০টি আসনে জয়ী হয়, কিন্তু ফতুল্লার আসনটি জিততে না পারে, তাহলে লজ্জা রাখার জায়গা কোথায় হবে—এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
মনির কাসেমী বলেন, “যারা বলে আমরা বিএনপিকে ভালোবাসি, অথচ গরু-ঘোড়া নিয়েও মাঠে দাঁড়িয়ে আছে, তারা ভোট নষ্ট করবে। তারা তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। যারা এই বাধা সৃষ্টি করে, তারা বিএনপির কেউ হতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা গত ১৭ বছরের গ্লানি কাটাতে চাই, জুলুম ও নির্যাতন দ্বিতীয়বার প্রতিষ্ঠিত করতে না চাই, তাহলে আগামী ১২ তারিখে একটি বিপ্লব ঘটাতে হবে। এই বিপ্লবে লাঠিসোঁটা বা মারামারি থাকবে না—শুধু খেজুর গাছ মার্কায় সিল মারতে হবে।”
কাসেমী বলেন, “সারাদিন সিল মারবো খেজুর গাছে, আর প্রধানমন্ত্রী হবে তারেক রহমান। সিদ্ধান্ত নিতে হবে সচেতনভাবে। আমার-আপনার চেহারা দেখে নয়, একমাত্র তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর যারা অমুক-তমুক ভাইয়ের হইয়া আছেন, তারা ভাইয়ের হইয়া বের হয়ে যান। যারা তারেক জিয়ার হয়ে আসবেন, তারাই মাথার মুকুট হয়ে থাকবেন।”
এর আগে দাপার শৈলকুড়া এলাকায় আরেকটি উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, “খেজুর গাছ ও ধানের শীষ—দুটোতেই সিল দিলে ভোট নষ্ট হয়ে যাবে। সবাইকে বোঝাবেন, আমরা ১২ তারিখে শিক্ষিত ও সচেতন ভোটারের পরিচয় দিয়ে শুধু খেজুর গাছ মার্কায় সিল দেবো। ডানে-বামে তাকানো যাবে না, ডাবল সিল দেওয়া যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, “‘হ্যাঁ’ ‘না’ ভোট না দিলেও সমস্যা নেই। আমাদের একমাত্র টার্গেট খেজুর গাছকে নির্বাচিত করা। এটা করতে পারলে আগামী দিনে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচনী কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোরশেদ কাজীসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।





































