১৮ জানুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:২৯, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

ছেঁড়া টাকা নেওয়া-দেওয়াকে কেন্দ্র করে

বন্দর খেয়াঘাটে যাত্রীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

বন্দর খেয়াঘাটে যাত্রীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর ১নং খেয়াঘাটে ছেঁড়া টাকা নেওয়া-দেওয়াকে কেন্দ্র করে জনী (৩৩) নামে এক যাত্রীকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খেয়াঘাট ইজারাদারের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে বন্দর ১নং খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যাত্রী জনী বাদী হয়ে ঘটনার দিনই বিকেলে ঘাটের কর্মচারী ইসমাঈলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বন্দর থানাধীন সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার জনী লেখাপড়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে শহরে কাজ করে আসছে। কাজের সুবাদে প্রতিদিনই তাকে বন্দর ১নং খেয়াঘাট দিয়ে নদী পারাপার হতে হয়।

রোববার সকাল ১১টার দিকে জনী প্রয়োজনীয় কাজে শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দর ১নং খেয়াঘাট থেকে ট্রলারে নদী পার হন। ঘাটে নেমে ২ টাকা ভাঙতি না থাকায় তিনি ঘাট ইজারাদারের কর্মচারীকে ১০ টাকার একটি নোট দেন। এ সময় ঘাটে টাকা তোলার দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারী নোটটি ছেঁড়া দাবি করে তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে জনীর এক বন্ধু তার ভাড়া পরিশোধ করলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।

একই দিন দুপুর পৌনে ১টার দিকে জনী পুনরায় খেয়াঘাট দিয়ে পারাপারের সময় ভাঙতি না থাকায় ১০০ টাকার একটি নোট দেন। তখন ঘাটের অপর পাশে টাকা তোলা ও ভাঙতি সরবরাহের দায়িত্বে থাকা দুই কর্মচারীর কাছে তাকে পাঠানো হয়। তারা ২ টাকা ভাড়া রেখে ৯৮ টাকা ফেরত দেন। ফেরত দেওয়া টাকার মধ্যে একটি ২ টাকার, একটি ১০ টাকার এবং একটি ২০ টাকার নোট ছিল ছেঁড়া ও কাটা অবস্থায়।

এ সময় ছেঁড়া টাকা দেখে জনী আপত্তি জানিয়ে বলেন, সকালে সামান্য ছেঁড়া ও স্কচটেপ লাগানো ১০ টাকার নোট তারা নেননি, অথচ এখন ১০০ টাকার ভাঙতির সঙ্গে তিনটি ছেঁড়া নোট দিতে চাচ্ছেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাট কর্মচারী ইসমাঈলসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন জনীকে মারধর করেন, প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা ঘাট ইজারাদারের কয়েকজন কর্মচারীর এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়