২২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৮:৪৩, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে

পুরোনো রাজনীতির বিরুদ্ধে জাগরণ শুরু হয়েছে: সিরাজুল মামুন

পুরোনো রাজনীতির বিরুদ্ধে জাগরণ শুরু হয়েছে: সিরাজুল মামুন

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ১০ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন বলেছেন, দেশের মানুষ পুরোনো রাজনীতি আর চায় না। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তবে ছাত্র-জনতা যেভাবে এক সময় সবচেয়ে বড় পেশিশক্তির পতন ঘটাতে পেরেছিল, তার চেয়ে বড় শক্তি কেউ নয়—এটা বুঝে নেওয়া দরকার।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নির্বাচনী প্রচারণার সূচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিরাজুল মামুন বলেন, গত ১৭ মাসে জনগণ ও তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের যে ইতিহাস তৈরি করা হয়েছে, বাংলার মানুষ তা প্রত্যাখ্যান করবে। জনগণের রায় মেনে নেওয়ার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কেন্দ্র দখলের চিন্তা পরিহার করতে হবে। কেন্দ্র দখলের বিরুদ্ধে কাউকে প্রতিহত করতে হবে না—এই বাংলার মানুষই রাস্তায় নেমে তা প্রতিহত করবে। তিনি ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক। গোটা জেলাকে গ্রাস করা এই মাদক কারবার তরুণ সমাজের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে। পুরোনো রাজনীতির কঙ্কালের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ১০ দলীয় জোট গঠিত হয়েছে।

রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের টেবিলে সব দল একমত হয়েছিল—এক ব্যক্তির হাতে প্রধানমন্ত্রী, দলীয় প্রধান ও সংসদীয় নেতৃত্ব—এত ক্ষমতা দেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু একটি দল সেখানে আপত্তি জানিয়ে সব ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতেই রাখতে চেয়েছে। এভাবে স্বৈরাচারের পথ বন্ধ করা সম্ভব নয়। আগামী নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়ে জাতিকে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুঈনুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে এবং খেলাফত মজলিসের মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মুফতী শেখ শাব্বীর আহমদের সঞ্চালনায় প্রচারণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলীল, ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, আলীরটেক মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ আতাউল হক সরকার, খেলাফত মজলিস জেলা সভাপতি মাওলানা আহমদ আলী, মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি ও ১০ দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য সচিব এইচ এম নাসিরুদ্দিন, এবি পার্টির জেলা আহ্বায়ক শাহজাহান ব্যাপারী, খেলাফত মজলিস জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী বশীর আহমদসহ জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়