০৬ জুন ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৫:১৮, ৬ জুন ২০২৬

আপডেট: ১৫:২০, ৬ জুন ২০২৬

পরিচ্ছন্ন পরিবেশেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমাবে: ডিসি রায়হান কবির

পরিচ্ছন্ন পরিবেশেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমাবে: ডিসি রায়হান কবির

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে র‌্যালি, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

শনিবার (৬ জুন) সকালে ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকা থেকে র‍্যালি নিয়ে এসে জেলা পরিষদ সংলগ্ন সুগন্ধা খাল খনন পরিষ্কার অভিযানের উদ্বোধনের সময় তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের অন্যান্য জেলার মতো নারায়ণগঞ্জেও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বড় পরিসরে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে একটি বড় র‌্যালি নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবির পর একটি খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, যাতে ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে ঝুঁকিমুক্ত রাখা যায়।

জেলা প্রশাসক বলেন, আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমের আগেই মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। যেসব স্থানে মশার লার্ভা জন্ম নেয়, সেগুলো চিহ্নিত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে লার্ভা ধ্বংসে কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, সারা দেশে একযোগে চলমান এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও জেলার বিভিন্ন পৌরসভায়ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ডিসি রায়হান কবির বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতাও ডেঙ্গু প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাসাবাড়ির ফুলের টপ, এসির জমে থাকা পানি, বাথরুম, ছাদ কিংবা বাড়ির আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে। পাশাপাশি আবর্জনা পরিষ্কার রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়া দ্বিতীয় ধাপ। এর আগে মশার বংশবিস্তার রোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।”

জেলা প্রশাসক জানান, খুব শিগগিরই ছোট ছোট পরিদর্শন টিম গঠন করা হবে। এ বিষয়ে রাজউক এবং সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শহর, নগর ও মফস্বল এলাকাগুলোতে এসব টিম নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেল সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগরী জামায়াতে ইসলামী সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, ফজিলা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী প্রমুখ।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়