০৮ মার্চ ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১:৫৪, ৭ মার্চ ২০২৬

শীতলক্ষ্যা দূষণ: ২০ কারখানার গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের নির্দেশ

শীতলক্ষ্যা দূষণ: ২০ কারখানার গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ইটিপি (তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার) ছাড়া পরিচালিত ২০টি শিল্পকারখানার বৈদ্যুতিক ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এই আদেশ দেন।

শীতলক্ষ্যার পানি দূষণ বন্ধ এবং নদী দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল একটি রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানিতে গত বছরের ৬ মে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশনায় পরিবেশ অধিদপ্তরকে নদীর পানি দূষণের পরিমাণ নিরূপণ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছিল। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেখা গেছে, ইটিপি ছাড়া ২০টি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য সম্পূরক আবেদন দায়ের করে আদালতে নির্দেশ চাওয়া হয়।

আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

হাইকোর্টের নির্দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আরএসকে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিড ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইং অ্যান্ড প্রসেসিং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এম আর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লা নিড ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং, সোহেল ডাইং, কর্ণফুলী টেক্সটাইল মিল এবং হাজী রাসুল ডাইং।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়