সরকারকে ধন্যবাদ আর বিচার বিভাগকে কৃতজ্ঞতা আইভীর
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে বন্দি দিন পার করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। এক মামলায় জামিন হলে তাকে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আইনি জটিল প্রক্রিয়া পার করে অবশেষে গত বুধবার রাতে মুক্তি পান তিনি।
৩৯১ দিন কারাভোগের পর বাড়িতে ফিরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী জামিন দেবার জন্য বিচার বিভাগেরপ্রতি কৃতজ্ঞতা ও বিএনপি সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে বারোটার দিকে বাড়িতে ফেরেন আইভী। পরে সাংবাদিকদের দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে আইভী বলেন, “আমি চাই সকলকে নিয়ে মানবিক সরকার গঠিত হোক। জেলে আমার মতো আরো অনেক মায়েরা আছেন, তারা নিরপরাধ। আশা করি, সরকার তাদের প্রতিও সদয় হবে।”
একইসঙ্গে তিনি বিচার বিভাগের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা ১২টি মামলায় দীর্গ কারাভোগের পর গত রাত সাড়ে বারোটায় নিজ বাড়িতে ফেরেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
যদিও তার বাড়ির সামনে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। আইভীর বাড়ির সামনে ও আশেপাশে কয়েকটি সিসি ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশও আছে নজরদারিতে। পুলিশ বলছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম রুখতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেবার তিনি ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। পরে ২০১১ সালে পৌরসভা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হলে প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৬ ও ২০২২ সালেও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পান আইভী।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৮ আগস্ট সারাদেশের সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের সঙ্গে আইভীকেও দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।





































